Beauty and Health

রাতে ত্বকের যত্ন

রাতে ত্বকের ধরন অনুযায়ী যত্ন নেয়া খুবই জরুরী। আর এই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন হেরোবিক্স ব্রাইডাল পার্লারের রূপ বিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন মিউনি।


স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বকঃ
এ ধরনের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করুন ত্বক উপযোগী ক্লিনজিং জেল বা ফোম। ত্বক নরম ও মসৃণ থাকবে। ক্লিনজার নিয়ে হালকাভাবে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। তারপর ভিজা তুলা দিয়ে মুছে ফেলুন। ভিজা তুলা ব্যবহার করলে ত্বকের ময়েশ্চার বজায় থাকবে।

ক্লিনজিং এর পর জরুরি টোনিং। ভিজা তুলা দিয়ে স্কিন টোনার লাগান। টোনারের বদলে গোলাপ পানিও ব্যবহার করতে পারেন। টোনিংয়ের পর পাইট ক্রিম বা রিশিং ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক বেশি শুষ্ক প্রকৃতির হলে ক্রিম লাগানোর পর হালকা ময়েশ্চারাইজিং লোশন লাগাতে পারেন, না হলে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর দরকার নেই।


তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকঃ
এ ধরনের ত্বকের জন্য ভালো ক্লিনজিং লোশন বা ক্লিনজিং মিল্ক মুখে ভালোভাবে লাগানোর পর ভিজা তুলা দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। সাবানবিহীন ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। সাবানের মতো ফেসওয়াশ হাতে নিয়ে মুখে লাগাবেন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এবার টোনার বা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লাগান। তৈলাক্ত ত্বকে নারিশিং ক্রিম ব্যবহার করবেন না। কারণ এতে ত্বক আরো তৈলাক্ত হয়ে যাবে। রোমকূপ বন্ধ হয়ে যাবে। হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন। মিশ্র প্রকৃতির ত্বকে শুষ্ক অংশে নারিশিং ক্রিম লাগাতে পারেন।


সেনসেটিভ ত্বকঃ
ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকলে মেডিকেটেড সোপ বা ক্লিনজার ব্যবহার করুন। ত্বকের অতিরিক্ত তেল সরিয়ে আপনার ত্বককে ফ্রেশ রাখবে। ব্রণ কমাতে চন্দনবাটা সারারাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। স্যালাইসিলিক এসিডসমৃদ্ধ ক্রিম লাগাতে পারেন। তবে এতে ত্বকে টানভাব দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে পুরো মুখে অ্যালোভেরা জেল হালকা করে লাগাতে পারেন। ক্লে মাক্সও লাগাতে পারেন।

খুব ঠান্ডা বা গরম পানি দিয়ে মুখ ধোবেন না। মুখ পরিষ্কার করার পর ভালো করে পানি দিয়ে মুখ ধোবেন। বিশেষ করে ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির হলে মুখ ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন। ত্বক শুষ্ক ধরনের হলে অ্যালোভেরা, লেবুসমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করবেন না।




[ Return to Tips ]      [ Go Back ]