আপনি যখন কারও কাছ থেকে ৫০০ অথবা এক হাজার টাকার নোট নেবেন, তখন নোটগুলোর উল্লেখযোগ্য নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য খেয়াল করবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, এক হাজার টাকার নোটের নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য ১৩টি এবং ৫০০ টাকার ১১টি।
নিরাপত্তার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১। রং পরিবর্তনশীল হলোগ্রাফিক সুতা
২। অসমতল ছাপ
৩। রং পরিবর্তনশীল কালি
৪। উভয়দিক থেকে দেখা
৫। অন্ধদের জন্য বিন্দু
৬। জলছাপ
৭। এপিঠ-ওপিঠ ছাপা
৮। অতি ছোট আকারের লেখা
৯। লুকানো ছাপা
১০। সীমানাবর্জিত ছাপা
১১। পশ্চাত্পট মুদ্রণ
১২। নম্বর
১৩। ইরিডিসেন্ট ও স্ট্রাইপ
১৪। বিশেষ ধরণের কাগজ
নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্যের প্রথম ১১টি ৫০০ টাকার এবং ওই ১১টিসহ পরেরগুলো এক হাজার টাকার নোটের। টাকার নোটে আপনি এসব নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য খুঁজে দেখবেন। তা ছাড়া জাল নোটগুলোর কাগজও হয় সাধারণ। ফলে নোটগুলো সাধারণত নরম প্রকৃতির হয়ে থাকে বলে জানা যায়। আর বিশেষ করে রং পরিবর্তনশীল হলোগ্রাফিক সুতা ও কালি, জলছাপ এবং অসমতল ছাপ জাল টাকায় থাকে না। ফলে এসব বিষয় খেয়াল রাখলেও আপনি প্রতারণা থেকে বাঁচবেন। কোনো জাল টাকা বাজারে পাওয়া গেলে, তা বাংলাদেশ ব্যাংক বাজেয়াপ্ত করে। ফলে জাল টাকা পেলে আপনি প্রমাণসাপেক্ষে আইনের হাত থেকে রক্ষা পেলেও আর্থিক ক্ষতি থেকে বাঁচতে পারবেন না। তাই টাকা লেনদেন করার সময় বিশেষ করে বড় অঙ্কের নোট বা বেশি টাকার ক্ষেত্রে অবশ্যই চেষ্টা করবেন টাকাগুলো দেখে নিতে।


